মোঃ ওবায়েদুর রহমান সাইদ শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী বিলকিস বেগম শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আমলী আদালতে–একটি নালিশি মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট ওই নারীসহ তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তাঁদের জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে আদালত মোঃ দেলোয়ার হোসেনে বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের পরোয়ানা পাওয়ার পর ডামুড্যা থানার পুলিশ মোঃ দেলোয়ার হোসেন সরদারকে গত ১৬ ফেব্রুয়ার ঢাকার ভাটারা থানার পুলিশের সাহায্যে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। পরে ডামুড্যা থানার পুলিশ তাকে শরীয়তপুর আদালতে উঠলে হাজির হওয়ার শর্তে অন্তবর্তিকালীন জামিন দেয়। পরে জামিন পেয়ে তিনি পরের দিন কাগজপত্র উঠিয়ে দেখে তার নামে ভুয়া আইডি কার্ড বানিয়ে খালেদ ইসলাম বাবুল গত তিন অক্টোবর ২০২২ ইং সালে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরের কামিননামা তৈরি করেন।
এদিকে সেই ভুয়া কাবিননামা চ্যালেঞ্জ করে মোঃ দেলোয়ার সরদার গত ১৯ ফেব্রুয়ারী শরীয়তপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মূলচক্রান্তকারী খালেদ ইসলাম বাবুল বিলকিস সহ তার সহযোগীদের (কাবিননামার সাক্ষী) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালত ঘটনার সত্যতা পেলে পাঁচজন জামিন নিতে আসলে একজনকে এক হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন দিয়ে বাকী চাঁরজনকে কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেয়। কাজী উচ্চ আদালত থেকে এ মামলার জামিন নিয়ে আসে। এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ভুক্তিভোগী দেলোয়ার সরদার জানান, এ মামলায় আমি ও আমার পরিবার সামাজিকভাবে হেয়পন্ন হয়েছি। আমি এ চক্রের কঠিন শাস্তি দাবি করছি। এ চক্রের সাথে জড়িত অভিযুক্ত টিম এম আলমগীর বলেন, বিলকিস আমার সংস্থার কর্মী, আমি এর বেশি কিছু জানি না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা।বাদী পক্ষের আইনজীবি মোঃ কামরুজ্জামান নজরুল জানান, এ মামলায় আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। আরও যারা এঘটনার সাথে জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।