ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

রাজবাড়ীতে ১৮ রোগী পেলেন চিকিৎসার ৯ লাখ টাকা

রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীতে ‘শেখ হাসিনার দিনবদলে, সমাজসেবা এগিয়ে চলে’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ছয়টি রোগে আক্রান্ত রোগীদের চেক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজইড, জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ১৮ জন
রোগীর প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। চেক বিতরণ উপলক্ষে সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী।
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মার্জিয়া সুলতানা। এসময় সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রকিবুল হাসান, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান, সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা সালমা ইয়াসমিন প্রমূখ।
কাজী কেরামত আলী বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার, জনবান্ধব সরকার। দেশের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য আর্থিক ভাবে সহায়তা করা হচ্ছে। যাতে করে বিনা চিকিৎসায় কোনো মানুষ মারা না যায়।
সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া গ্রামের গ্রামের বাসিন্দা ঝর্ণা রানী সাহা বলেন, আমার ক্যান্সার হয়েছে। কিডনীতে নল পরানো আছে। আমার
স্বামী চায়ের দোকান করেন। আমাদের চারটি মেয়ে। দুটি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। অন্য দুটি মেয়ে পড়ালেখা করে। ইতিমধ্যে আমার চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কোনো ভাবেই আর চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে পারছিলাম না। রাজমিস্ত্রী গোলাপ আলী ব্যাপারী বলেন, আমার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। ছেলেদের ভিন্ন সংসার। তিন বছর ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম চলছে। আমি ইতিমধ্যে ছয় লাখ টাকা খরচ করেছি।
এখন আর হাতে কোনো টাকা-পয়সা নেই। কোনো মতে সংসার চলছে। এই টাকা পেয়ে খুব উপকার হলো।

লেখক