আহসান হাবীব নাহিদ, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় এসে আত্নসমর্পণ করলেন পাসন্ড স্বামী।

৮ জুলাই শনিবার উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নে কলেজপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

জানাযায়, প্রায় ৫ বছর আগে উপজেলার ২নং নলডাঙ্গা ইউনিয়নের কলেজের পার্শ্ববর্তী নুরু মিয়ার ছেলে মহসীন মিয়ার সহিৎ গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কিশামত বালুয়া গ্রামের আঃ কাদের মোল্লার সর্ব কনিষ্ঠ (৩য় কন্যা) মেয়ের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকেই কারণে অকারণে দ্বন্দ কলহ লেগেই থাকতো, এবং যখন তখন স্ত্রী শেফালীকে মারধর করতো বলে জানান নিহতের স্বজনরা।
এসব নির্যাতনকে কেন্দ্র করে একাধিকবার মিটিং হয়। পরে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করার ওয়াদা করে।

কিন্তুু, এসে আবারো নির্যাতন করতে শুরু করে মহসীন।
শেষে স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে কিছুদিন আগে বাবার বাড়ি চলে যান শেফালী। ঈদ করে বাবার বাড়িতেই।

গত ৬ জুলাই শশুড় বাড়িতে গিয়ে তাদের হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চেয়ে আর নির্যাতন না করার শর্তে শান্তিতে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্ত্রী শেফালীকে নিয়ে নলডাঙ্গার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

এরপর ৮জুলাই শনিবার দুপুরের খাবার শেষে বিশ্রাম নিতে শুয়ে পরেন মহসীন। এসময় শেফালীর সাথে আবারো কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রীর ওরনা দিয়ে গলা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন পাসন্ড স্বামী মহসিন।
স্ত্রীকে হত্যার পর ওই দিন (শনিবার) বিকেল ৫টার পর নিজে এসে থানায় আত্নসমর্পণ করেন।

নিহতের প্রতিবেশী সাইদুর রহমান
জানান শেফালীর বিয়ের পরথেকেই দীর্ঘদিন ধরে পারিবাক কলহ চলছিল। শেফালীকে তার স্বামী প্রায়ই নির্যাতন করতো বলে জানান তিনি।
এসময় ঘাতক মহসীনের ফাঁসীর দাবী জানান তিনি।

ভাই গোলদার মোল্লার স্ত্রী নূর নাহার বেগম জানান মহসীন প্রায়ই শেফালীকে বেধরক মারধর করতো।
নিহত শেফালী সংসার বাঁচানোর জন্য অনেক নির্যান সহ্য করতো। অবশেষে স্বামীর হাতে জীবন দিতে হলো শেফালীকে।

নিহতের বোন জামাই মো: জবিয়াল সর্দার জানান, মহসীন শেফালীকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। তার ফাঁসী কার্যকর হওয়া উচিৎ বলে দাবী করেন তিনি।

আপনি যে খবরগুলো মিস করেছেন