বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের একমাত্র চলাচলের ইট সোলিং রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার হাজারো সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীদের। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং রাস্তাটি সংস্কার করে পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বলরামপুর গ্রামের চলাচলের জন্য এই একটিমাত্র রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, রাস্তাটির দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেন বা নর্দমা নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই বৃষ্টির পানি ও বসতবাড়ির নিষ্কাশিত নোংরা পানি সরাসরি রাস্তার ওপর এসে জমে যায়। ড্রেন না থাকায় পানি সরতে না পেরে দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, যার ফলে পাকা ইট সোলিংয়ের রাস্তাটি তলিয়ে গিয়ে খানাখন্দ ও পিচ্ছিল হয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। পানি জমে পিচ্ছিল হওয়ায় রিকশা, ভ্যান, বাইসাইকেল তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচল করাও দায় হয়ে পড়ে। অনেক সময় স্কুলগামী কোমলমতি শিশুরা কাদাপানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়। জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী ভ্যান বা অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত গ্রামে ঢুকতে পারে না।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বলরামপুর গ্রামের এই জনদুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পানি নিষ্কাশনের জন্য টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এলাকাবাসীর জোর দাবি, অত্র এলাকার সম্মানিত সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা যেন জনদুর্ভোগের এই চিত্রটি আমলে নিয়ে দ্রুত বলরামপুরবাসীর চলাচলের রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।