ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রবাসী নিহতস্বপ্নপার্বতীপুর পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মিজানুর রহমান সিয়াম: শ্রমিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে ঘোষণা শাজাহানপুরে ভিজিএফ চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদে হামলার অভিযোগমাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন

নবীনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ 

আবু হাসান আপন, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলার সাতমোড়া গ্রামের মো. আব্দুল হককে (৬১) পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ফোন দিয়ে জালাল উদ্দিন ওরফে জালাল পাশা প্রতারণা করে ইয়াবা  দিয়ে ফাঁসিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

শনিবার, বিকালে (২৮-১২-২৪) উপজেলা সদরে বিভিন্ন সংগঠনের সাংবাদিকদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের মো. আব্দুল হকের সন্তান গোলাপ মিয়া ওরফে সাদ্দাম দাবি করেন, একই গ্রামের সন্তান জালাল পাশা আগে থেকেই কৌশল করে মো. আব্দুল হকের খোলামেলা রান্না ঘরের কাঠের লাকরির উপর ইয়াবা রেখে সেনাবাহিনীকে ফোন করে কিংবা অন্য কোন উপায়ে সেনাবাহিনী এনে ধরিয়ে দেন। সংবাদ  সম্মেলনের লিখিত, উপস্থিত ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব থেকে জানা যায়, মো. আব্দুল হক দীর্ঘ ২৭ বছর প্রবাসে ছিলেন। তিনি একজন সৎ-সজ্জন ও ধার্মিক মানুষ। মো. আব্দুল হকের বড় ছেলে মো. গোলাপ মিয়ার সাথে জালাল পাশার বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক ছিল। বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে জালালের স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও গোলাপ মিয়ার অর্বতমানে তার স্ত্রীর সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে ভাগিয়ে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। শুধু স্ত্রীকে নিয়ে পালানোই নয় জমির ব্যবসা করবেন বলে ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাও নেন বলে জানান গোলাপ মিয়া। স্ত্রী ও টাকার দ্বন্ধ নিয়ে মো. গোলাপ মিয়ার করা মামলায় জালাল জেল খাটার জেরে তাদের মধ্যে পারিবারিক শত্রুতা তৈরি হয়। গোলাপ মিয়া আব্দু৫হকের প সন্তানের মধ্যে বড় ও পেশায় জজ কোর্টের একজন আইনজীবী ও গাজীপুরস্থ ল’ কলেজের প্রভাষক।  তার তিন ভাইয়ের মধ্যে ১ ভাই আছেন অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি গ্রহনের জন্য, সেজোজন আছেন সৌদি আরবে ব্যবসা নিয়ে ও ছোটজন দায়রা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছেন। বাড়িতে কেবল তার বৃদ্ধ বাবা-মা থাকেন।  এর পর থেকে জালাল উদ্দীন ওরফে জালাল পাশা বিভিন্ন সময় হয়রানি, নির্যাতিত ও হুমকি দিয়ে আসছিল। গোলাপ হোসেন ও তাদের পরিবারকে খুন করে গুম করে ফেলার অডিও রেকর্ডও রয়েছে। জালাল পাশা একজন মাদক কারবারি ও তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। এরই জের ধরে জালাল পাশা গত ২৫ ডিসেম্বর ২৪ ইং কৌশল করে ইয়াবা দিয়ে গোলাপ মিয়ার আব্বাকে সেনাবাহিনী দিয়ে ধরিয়ে দেন।

মামলার এজহার৷ থাকা ১ নং সাক্ষী রহিম মিয়া বলেন, আমাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর নেয়। আর্মি ও পুলিশ দেখে আমি সাক্ষর করি। মো. আব্দুল হক একজন ভালো মানুষ।

গোলাপ মিয়া বলেন, আমার আব্বাকে যে কৌশল করে প্রতারনার মাধ্যমে জালার পাশা ফাঁসিয়েছে তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে জবানবন্দি নেয়া হউক ও আমার আব্বা জেলা জেল হাজত থেকে মুক্তি প্রদান করা হউক।

লেখক