তানোর থেকে: জাকির হোসেন-টুটুলঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৫নং তালন্দ ইউনিয়ন পরিষদ এর আয়োজনে, ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উন্নয়ন মেলা-২০২৩ইং উপলক্ষে বর্ণাঢ্য রেলি আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা গেছে আজ ২১- সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১-০০ মিনিটে, রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৫নং তালন্দ ইউনিয়ন পরিষদ এর আয়োজনে, ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবুর সভাপতিত্বে ও ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আবুল হাসান (মেম্বার) এর সঞ্চলনায় ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উন্নয়ন মেলা-২০২৩ইং উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে বর্ণাঢ্য রেলি প্রর্দশিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ৫নং তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ইউ পরিষদ চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু, ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার ও ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান, তালন্দ ইউপি পরিষদ সচিব, ওয়াকিল শেখ ও ১-২-৩ নং ওয়ার্ড এর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর, খালেদা আক্তার, বক্তব্য রাখেন।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন: তানোর ৫নং তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৮নং ওয়ার্ড (মেম্বার) আব্দুল করিম। তালন্দ ইউপি পরিষদ সচিব, তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি মোকলেসুর রহমান সাধারণ সম্পাদক, মইফুল, ওয়াকিল শেখ।
তালন্দ ইউপি মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর শামসুন্নাহার।
১নং ওয়ার্ড মেম্বার, জামাল উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ড মেম্বার, খলিল ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার, সামসুল হক,
৪নং ওয়ার্ড মেম্বার, সাইদুর রহমান, ৬নং ওয়ার্ড (মেম্বার) শামসুদ্দিন, ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার, রুস্তম আলী, ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার, হযরত আলী।
আরও উপস্থিত ছিলেন, তালন্দ ইউপির ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সৈয়দ আলী, সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক, জাকির হোসেন টুটুল। তালন্দ ইউনিয়ন ছাত্র লীগ সভাপতি, বুলবুল আহাম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক, রনি ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক, তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আবুল হাসান মেম্বার বলেন; সুধিবৃন্দ আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বেলেছেন: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের মাধ্যমে দেশের সকল নাগরিকের আইনগত পরিচিতি নিশ্চিত করতে হবে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠি, লিংঙ্গ নির্বিশেষে সকলের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ইং অনুযায়ী সকল শিশুর জন্মের পর পরই জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর/ সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কাউন্সিলর বা অন্য কোনো কর্মকর্তা, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর এক্সিকিউটিভ অফিসার এবং দূতাবাসের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে পারবেন।।শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সকল শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে, একোই ব্যক্তি একাধিকবার জন্ম নিবন্ধন করতে পারবে না। এটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ এর ২০ ধারা অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত হতে orgbd.gov.bd ওয়েব সাইটে জন্ম তথ্য যাচাই অপসানে ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধনের তারিখ প্রর্দশন করে জন্ম নিবন্ধন হয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি বলেন ১৮টিরও অধিক সেবা পেতে জন্ম সনদের ব্যবহার বাধ্যতামূলক: সেবা সমুহগুলো যথাক্রমে, ১) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি’ ২) বিবাহ নিবন্ধন ‘ ৩) পাসপোর্ট ইস্যু’ ৪) জাতীয় পরিচয় পত্র’ ৫) জমি রেজিষ্ট্রেশন, ৬) স্বাস্থ্য সেবা’ ৭) চাকুরিতে নিয়োগ’ ৮) ট্রেড লাইসেন্স ‘ ৯) ব্যংক হিসাব খোলা’ ১০) আমদানি রপ্তানি লাইসেন্স’ ১১) গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি ‘ ১২) টিআইএন’ ১৩) ঠিকাদারি লাইসেন্স’ ১৪) ড্রাইভিং লাইসেন্স’ ১৫) গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন’ ১৬) বাড়ির নকশা অনুমোদন’ ১৭) ভোটার তালিকা প্রণয়নসহ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নিকট হতে যে কোনো সেবা প্রাপ্তি।
আপনারা মনে রাখবেন, ৪টি ক্ষেত্রে মৃত্যু নিবন্ধন সনদ অত্যাবশক, ১) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত সাকশেষন সাটিফিকেট” ২) পারিবারিক পেনশন প্রাপ্তি” ৩) মৃত ব্যক্তির লাইফ ইন্সুইরেন্সের দাবি মেটানো ও নামজারি এবং জমাভাগ। পেতে আপনারা নাগরিকদের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টিআর্কষণ করে বলেন; উপজেলা প্রশাসন কতৃক প্রদেয় নাগরিক সেবাসমূহ যথাক্রমে, সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে পরিশর্দনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ অভিযোগকারীদের লিখিত/মৌখিক বক্তব্য গ্রহণপূর্বক সমাধান প্রদান, দারিদ্র এবং ভূমিহীনদের জন্য সরকারের পুনর্বাসন।