ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

মনোনয়ন ফিরে পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি :
রাজবাড়ী-১ (রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী  এ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাসের মনোনয়নপত্র আপিল শুনানিতে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি সৌজন্যে সাক্ষাত করতে আসেন রাজবাড়ী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসক আবু কায়সার খানের সাথে।
গত( ৪ ডিসেম্বর) রাজবাড়ীর  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন স্বাক্ষর জটিলতায় কারণ দেখিয়ে এ্যাডভোকেট  ইমদাদুল হক বিশ্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান। । পরে নিয়মানুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, আপিলে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করব। জনগণ আমার পাশে রয়েছে। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এটা রাষ্ট্রের সাংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। জনগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে তার ভোট প্রদান করবে। তাই আমি সরকার বা নির্বাচন কমিশনারকে বলবো এটা পরিবর্তন করা উচিৎ।
জানা গেছে, অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক বিশ্বাস রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের চার বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট ইমদাদুল হক বিশ্বাস উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৫, ১৯৯০ ও ২০০৯ সালের পর পর ৩টি নির্বাচনে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি নৌকার প্রার্থী হিসেবে  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীর নিকট পরাজিত হন। জনকল্যাণ মূলক কাজে সাধারণ জনগণের মধ্যে তার জনপ্রিয়তার জন্য তিনি ২০১৯ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চতুর্থবার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন।

লেখক