ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

রাজবাড়ীতে ২ স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায়, গ্রেপ্তার-১

মো. নাহিদুল ইসলাম ফাহিম, রাজবাড়ী :

রাজবাড়ীতে টিউশন ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বেলা ১০ টা থেকে ১১টার দিকে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের নাওরা বনগ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম সিহাব মন্ডল (২০)। সিহাব পাংশা উপজেলার কশবামাজাইল ইউনিয়নের কুঠিমালয়াট গ্রামের উজ্জল মন্ডলের ছেলে। ঘটনার আরেক আসামি হাসমত আলী পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী দুইজনেই সরিষা ইউনিয়নের বড় বনগ্রাম (সাহাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা। তাদের একজনের বয়স ১৩ বছর ও আরেক জনের বয়স ১৪ বছর। ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থী একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, রবিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে পাংশা উপজেলার বনগ্রাম আতারুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম  শ্রেণির ওই দুই শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়া শেষ করে বাড়িতে ফিরছিল। তারা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের নাওরা বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে সিহাব ও হাসমত নামে দুইজন তাদের পথরোধ করে। এসময় বেøড বের করে ভয় দেখিয়ে পরিত্যাক্ত স্কুলের ভেতর নিয়ে যায়। সেখান থেকে সিহাব মন্ডল এক শিক্ষার্থীকে পানের বরজের ভেতর নিয়ে যায়। অন্য শিক্ষর্থীকে হাসমত আলী পরিত্যাক্ত স্কুলের ভেতর ধর্ষণ করে। এই ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা।

এই ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় এক শিক্ষার্থীর বাবা ও অপর শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে পাংশা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ শিহাব মন্ডলকে গ্রেফতার করে সোমবার দুপুরে রাজবাড়ী আদালতে পাঠিয়েছে।

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, “স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় শিহাব মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরেক আসামি হাসমতকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

লেখক