রাজবাড়ীতে আবু তালেব আজাদ ওরফে সবুজ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজবাড়ী পৌর শহরের লক্ষীকোল গ্রামের নিহত সবুজের নিজ বাড়িতে পবিারের পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।
নিহত সবুজ একই গ্রামের বছির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার বাবা এক স্বজনের কাছে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করে। প্রায় ৬ বছর আগে সেই জমি আবার আব্দুস সামাদ কিনে নেয়। তারপর থেকেই জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আব্দুস সামাদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। বিরোধের এক পর্যায়ে গত ২৭ অক্টোবর সবুজের পরিবার তাদের জমিতে ইট দিয়ে সীমানা প্রাচীরে কাজ শুরু করেন। এসময় আব্দুস সামাদের ছেলে তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে সামাদের পরিবারে সদস্যরা সবুজের উপর হামলা চালায়।
এতে সবুজ মাটিতে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এসময় পরিবারে লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এসময় সবুজের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নেওয়ার পথে সবুজ মারা যায়। সংবাদ সম্মেলনে এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত সবুজের বোন রোকেয়া বেগম, স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম ও ছেলে শাফিন আহম্মেদসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে আব্দুস সামাদ সরদারকে এক নম্বর আসামি করে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন সামাদ সরদারের স্ত্রী মর্জিনা বেগম লক্ষী (৪৫), ছেলে আলিফ মাহমুদ (২০), মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস তুষ্ট (২৩), সাদিয়া (১৮) ও সিনহা খাতুন (১৯)।