আহসান হাবীব নাহিদ, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে এসএসসিতেই সরকারি চকরীর বয়স শেষ। প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ছাত্র ছাত্রীদের বিক্ষোভ।
জানা যায়, উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর বিনয় ভূষণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে ১৫ জন ছাত্র ছাত্রীর বয়স বাড়িয়ে রেজিষ্ট্রেশন ফরমে ইচ্ছে মত জন্ম তারিখ বসিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দেয়া হয়েছে বলে দাবী করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা জানান তাদের যে জন্ম তারিখ বসানো হয়েছে তাতে করে ঐ শিক্ষার্থীদের হাইস্কুল না পেরোতেই ২৬ বছরের উপরে বয়স হয়ে গেছে।এমনকি কারো কারো সরকারী চাকুরীর বয়সও প্রায় শেষ।স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা ১২ জুন সকাল ১১টায় বিক্ষোভ করেন।
এসময় উপস্থিত অভিভাবকরা বলেন ২০২১সালে রেজিষ্ট্রেশন রফমে ছেলে মেয়েদের বয়সসীমা ২০-২৬বছর দেখা দেওয়ার কারনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেনের কাছে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে প্রধান শিক্ষক জানান যে, বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।
কিন্ত দীর্ঘ দু বছর পার হয়ে গেলেও বিষয়টি এখন পর্যন্ত সংশোধন হয়নি। আসলে টাকা কামানোর জন্য এটা ছিলো তাদের পরিকল্পিত ফাঁদ।
বিক্ষুব্ধ ছাত্র ছাত্রীরা বলেন আমরা প্রধান শিক্ষকের নিকট রেজিষ্ট্রেশন ফরমে উল্লেখিত বয়স সংশোধনের কথা বললে প্রধান শিক্ষক আমাদের ১৫জন ছাত্র ছাত্রী নিকট থেকে বয়স সংশোধনের জন্য দুই হাজার করে টাকা লাগবে বলে জানান।পরে বিষয়টি আমাদের পিতা মাতাকে অবগত করলে অতিকষ্টে ধার দেনা করে আমাদের পিতা মাতা সেই টাকা প্রধান শিক্ষক কে দিয়ে দেয়।
কিন্তু দীর্ঘ দুবছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত আমাদের বয়স সংশোধন না হওয়ায় আজ আমরা এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছি।
এসময় বিক্ষুব্ধ ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাদুল্লাপুর থানার পুলিশ প্রশাসন গিয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকগণ ঘরে ফিরে যান।