ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতাদের আদালতে হাজিরা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী

ওয়াসিম শেখ, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতাদের আদালতে হাজিরা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।

সিরাজগঞ্জ বিএনপির নেতাকর্মীরা আদালতের সঙ্গে অদৃশ্য সুতায় যেন বাঁধা পড়ে আছেন। কোনো কোনো নেতাকে দিনে পাঁচ-সাতটি মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে। বড় একটা সময় আদালতে হাজিরা দিয়েই পার করছেন তাঁরা। আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদের ১৪ বছরে সিরাজগঞ্জ জেলার ৯ উপজেলায় বিএনপি-জামায়াত ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কত মামলা হয়েছে তা সঠিক বলতে পারছিনা। অধিকাংশ মামলার বাদী পুলিশ। গত ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির ইউনিয়ন পদযাত্রা শুরুর আগে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল পোড়ানো হয়। এ ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে একটি ও পুলিশ বাদী হয়ে অপর একটি মামলা দায়ের করেন। প্রতিটি মামলায় বিএনপির ১৯৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০০/৩০০ নেতাকর্মীকে আসামি করা। তারপর কামারখন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম রেজা বাদী হয়ে সেখানে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে । আবার সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০ জনের নাম উল্লেখসহ বিএনপির ১৭০ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে আওয়ামী লীগ। গত নভেম্বর ৩০, ২০২২ সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ৫ মামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ৮১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর, বেলকুচি, তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও কাজীপুর থানায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের করা এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮০৬ জনকে। সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের ভাষ্যমতে জানাযায়, এসব মামলা দায়ের করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুল হাসান রঞ্জন, সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান লেবু, সহ-সভাপতি অমর কৃষ্ণ দাস, সহ-সভাপতি শামিম খান ওরফে ভিপি শামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ সুইট, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা, কাজিপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-আহ্বায়ক রাশেদ কবির চান্দু।সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরকার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক অ্যাড. নাজমুল ইসলাম, আলমগীর আলম, সেলিম ভূইয়া, মুন্সি জাহিদ আলম, লিয়াকত আলী, জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ, জেলা যুবদলের সভাপতি মির্জা আব্দুল জব্বার বাবু, সাধারন সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, সহ-সভাপতি মেন্না, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রাজেশ, সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি বরাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল আলম। এদের আদালতে হাজিরা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।

লেখক