মেনহাজুল ইসলাম তারেক, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
রেলওয়ে জংশনের বদৌলতে গড়ে উঠা দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভা। ১৯৭২ সালে স্থাপিত পৌরসভাটি বর্তমানে প্রথম শ্রেণির একটি পৌরসভা। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভার বেশীর ভাগ জায়গা জমিই রেলওয়ের ও পরিত্যাক্ত সম্পত্তি। সেই কারনেই পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের ইচ্ছে মাফিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে পারছেন না। ফলে এত বছরেও পৌরবাসী কাঙ্খিত উন্নয়নের মুখ দেখতে পারেনি। এমনটিই বলেছেন পার্বতীপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র আমজাদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, পার্বতীপুর পৌরসভাকে একটি স্মার্ট পৌরসভায় রুপান্তরের জন্য প্রধান অন্তরায় ভূমি জটিলতা। ভূমি জটিলতার অবসান হলে পার্বতীপুর হবে একটি আধুনিক উন্নত মানের স্মার্ট পৌরসভা।
মূলত স্মার্ট পৌরসভা গড়তে প্রধান বাঁধা এখন রেলওয়ে ভূমি সহ বিভিন্ন ভূমি জটিলতা। পার্বতীপুর পৌরসভা শহরটি একটি রেল কেন্দ্রিক শহর।এখানকার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হাট-বাজার গড়ে উঠেছে রেলওয়ের পরিত্যক্ত সম্পত্তির উপর। শহরের বেশীর ভাগ জায়গা রেলওয়ের হওয়ায় রেলওয়ে বিভিন্ন সময়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে থাকেন। আর এর ভুক্তভোগী হন, শহরে গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক ও আবাসিকভাবে বসবাসরত সাধারণ মানুষ। এসব জনগণের কথা চিন্তা করে সঠিকভাবে তাদের জন্য কি করা যায়, তা নিয়ে সম্প্রতি এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্ত্বরে। আর এই মহতী উদ্যোগের আয়োজক ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক ও পৌর মেয়র মোঃ আমজাদ হোসেন। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শহরের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সেখানেও এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা রেল জংশন কেন্দ্রিক পার্বতীপুর পৌর শহরকে একটি মানসম্মত সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে ভূমি জটিলতার অবসান অত্যাবশ্যক। এ জন্য পৌরবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অত্র পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র মোঃ আমজাদ হোসেন।