ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

রাজবাড়ীতে স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় তিনজনের ফাঁসি

 রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীতে কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনায় তিনজনের ফাঁসি ও প্রত্যেককে বিশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।
ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন রঞ্জন কুমার সরকার ওরফে রক্তিম (৩২), মো. রাসেল (৩৪) ও মো. রনি (৩০)। রঞ্জন রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দার রনজিৎ কুমার সরকারের ছেলে। রাসেলের বাবার নাম দুলাল হোসেন সজ্জন কান্দার বাসিন্দা। রনি চরনারায়নপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
 রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চরনারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা মোক্তার মন্ডল বাদী হয়ে ৯ নভেম্বর ২০১৩ সালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, মোক্তার হোসেন বাহরাইন প্রবাসী। তার ছেলে রিফাত (১২) রাজবাড়ী কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল। ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর সকাল ৮টায় রিফাত স্কুলে যায়। দুপুরে বাড়ি না ফেরায় তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। তাকে কোথায়ও না পেয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ০১৯৮৮৩৭২১২৩ মুঠোফোন থেকে তাকে ফোন করা হয়। রিফাত তাদের কাছে আছে বলে জানানো হয়। ছেলের মুক্তিপণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আসামীরা কিন্ডারগার্টেনের সামনে থেকে রিফাতকে অপরহণ করে।
এঘটনায় ওই রঞ্জন কুমার সরকারকে প্রধান আসামী করে মোট ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত সাত থেকে আটজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্রুনাল আদালতের ভারপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁশুলী (পিপি) শেখ সাইফুল হক বলেন, আমরা ন্যায় বিচার পেয়েছি। রায়ে আমরা সন্তুষ্টু হয়েছি। আদালতের রায় ঘোষণার সময় আসামীরা উপস্থিত ছিলেন। আমরা রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করছি।

লেখক