ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রবাসী নিহতস্বপ্নপার্বতীপুর পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মিজানুর রহমান সিয়াম: শ্রমিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে ঘোষণা শাজাহানপুরে ভিজিএফ চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদে হামলার অভিযোগমাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন

কালীগঞ্জ উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শ্রী পরিমল চন্দ্র ঘোষ

মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সমাজের অন্যায় অবিচার অশুভ ও অসুরশক্তির দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। আবহমান কাল ধরে হিন্দু সম্প্রদায় উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা ধর্মীয় মাঙ্গলিক আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা করে আসছে সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ীরা।

তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কালীগঞ্জ উপজেলার সনাতন ধর্মলম্বীদের সহ দেশবাসিকে শারদীয় দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি শ্রী পরিমল চন্দ্র ঘোষ।

শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সুন্দর ও সুশৃংখলের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট।তবে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবাই যেন এ আনন্দ সমানভাগে ভাগাভাগি করে এই প্রত্যাশা আমার।

সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস দেবী দুর্গার আগমনে এই পৃথিবী থেকে রোগ-শোক, জরা-ব্যাধি মহামারী দূরে গিয়ে জগত সংসারে সুখ শান্তি সমৃদ্ধি ফিরে আসবে। পৃথিবী হবে দুর্গতিমুক্ত। তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় আরো বলেন, এই বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।
এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে থাকে তাদের ইচ্ছেমতো। তিনি সকলের সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
ধর্ম উৎসব এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সকলকে একত্রিত হয়ে উৎসব পালনের আহ্বান জানান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি শ্রী পরিমল চন্দ্র ঘোষ।

তিনি আরও বলেন, আমারদের কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ৭৪ টি পূজা মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের এই সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা হতে যাচ্ছে। ( পুবাইল- বাড়িয়া) সহ তবে আমি আমাদের কালীগঞ্জের সকল মন্দিরেই পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ ও আনসার সহ ভলান্টিয়ার মোতায়েন রাখা হয়েছে, এবং কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি মন্দির আমরা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। তবে কেউ যদি কোন প্রকার আপ্তিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে সে যেই হোক না কেনো তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

 

লেখক