রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় অগ্নিকান্ডে আটটি দোকান ভস্মিভূত হয়েছে। ৭ ই মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলো হলো আমানত মন্ডলের কাঁচামালের দোকান, সিরাজুল ইসলামের মাছের আড়ৎ কাম ফার্মেসী, ইউনুস সরদারের কীটনাশক দোকান, আসাদুজ্জামান খানের মাছের আড়ৎ, শাহাদাত হোসেনের মুদি ও চায়ের দোকান, আকবর হোসেনের মুদি দোকান, ইমনের সেলুন ও আবদুস সালামের মাছের আড়ৎ।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীর ইউনুস সরদার বলেন, আমি দোকানে বসে ছিলাম। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমার দোকানের সামনে বসে থাকা আকরাম নামে একজন আগুন লেগেছে বলে জানায়। এরপর আমি সঙ্গে সঙ্গে দোকান থেকে মালামাল বের করতে থাকি। আমার দোকানে প্রায় সাত লাখ টাকার বিভিন্ন কীটনাশক ছিল। আমি আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার কীটনাশক দোকান থেকে বের করতে পেরেছি।
আমি তখন ঘটনাস্থলে ছিলাম না। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রশাসনকে অবহিত করি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে। শাহাদাত হোসেনের চায়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শাহাদাত হোসেন সকাল ১০টা পর্যন্ত দোকানে ছিল। পরে তিনি বাড়িতে চলে যান। শাহাদাতের দোকানেই স্থানীয়রা ধোঁয়া বের হতে দেখেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী উপপরিচালক জাকির হোসেন বলেন, অগ্নিকান্ডের খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছি। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে প্রায় পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। পানির সংকটের কারণে অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হয়। এবিষয়ে সবার সচেতন হতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে জলাশয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেরি করে ঘটনাস্থলে পৌছানোর অভিযোগ সঠিক নয়। পাবলিক সাধারণত আমাদের বিরুদ্ধে সবসময় এই অভিযোগ করে থাকে। আমি নিজে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছি। আমাদের আগে কোন যানবাহন সেখানে পৌছাতে পারে নাই। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শকসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে