ব্রেকিং নিউজ সৌদি কারখানায় আগুন, আত্রাইয়ের ১৩ প্রবাসীর মৃত্যুপার্বতীপুরে পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ক্যাশলেস ও মত‌বি‌নিময় সভা অনুষ্ঠিতচট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৪৯.৪৮, কেউ পাশ করেনি ৮ বিদ্যালয়েরঅতিবৃষ্টির কারণে সবজি রোপণকারীদের মাথায় হাত, ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কানওগাঁর আত্রাইয়ে সিংসাড়া-ইব্রাহিম নগর দাড়ির ওপর সরু ব্রিজের স্থলে প্রশস্ত ব্রিজ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর

রাণীনগরে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর

মো. ফিরোজ আহমেদ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :

জৈষ্ঠ্যমাস মধুর মাস এ মধুময় মাসে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়। এদিকে মধুমাসকে কেন্দ্র করে নওগাঁর রাণীনগরে বেড়েছে তাল শাঁসের কদর ৷

বিশেষ করে এ এলাকায় আম, লিচু, কাঁঠালের পাশাপাশি তালের শাঁস (তালকুর) নামের ফলটিরও চাহিদা ও কদর বেড়েছে সবই।

হাটবাজারের খোলা স্থানে বিক্রি হচ্ছে এ সুস্বাদু ফলটি, ক্রেতাদেরকে লাইন ধরে কিনতেও দেখা গিয়েছে।

সারাদেশে তালের শাঁস নামে পরিচিত হলেও এই এলাকায় তালের চোখ বা তালকুর নামে পরিচিত। শিশু থেকে সববয়সী মানুষের প্রিয় খাবার এ ফলটি।

এদিকে সোমবার (৮ জুন) উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তা ধারে বসে তালের শ্বাস বিক্রি করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
দাঁড়িয়ে থেকে কিনতেছেন সব শ্রেণির মানুষ।তালের ছড়ি কাইন থেকে হাঁসুয়া বা ছুড়ি বা দা দিয়ে তাল কেটে শাঁস বা চোখ বের করছেন। ক্রেতারা মনের আনন্দে ফলটি কিনে খাইতেছে৷ তালের শাঁসের পানি অনেকটা পুষ্টি সমৃদ্ধ বলে অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন।

তালের শাঁস কিনতে আসা শহিদুল আলম জানান, ভাল লাগে এ ফলটি। পরিবারের সবাই পছন্দ করে। প্রতিদিন বাড়ি যাওয়ার সময় কিনে নিয়ে যায়। তবে এ বছর দাম অনেক বেশি।নিম্ন আয়ের লোকজনের কিনতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি ৬০ টাকাতে ২১পিচ তালের শাঁস কিনেছেন।

একজন ক্রেতা বলেন, তার মেয়ে এলাকায় অন্য একজনকে খেতে দেখে এখন জেদ ধরেছে।তাই বান্দাইখাড়া বাজারে তালের শাঁস কিনতে এসেছি। এসে দেখছি অনেকে সিরিয়াল অনুযায়ী নিচ্ছে।

মিঠাপুর বাজারের বিক্রেতা মো. মনেক বলেন, প্রতিবছর তিনি এ পেশায় জড়িত রয়েছেন। পাড়া-মহল্লা, গ্রামে ঘুরে তাল কিনতে হয় তাঁকে। একেকটি গাছে তালের সংখ্যা দেখে কিনতে হয়। পাঁচশত টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হয়। তবে গাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। তালগাছে উঠতে অনেকটা কষ্টদায়ক তেমনি দড়িতে বেঁধে নামাতে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয়। ভ্যানে ভাড়া দিয়ে আবার বাজারে নিয়ে আসতে হয়। তারপরের প্রতিদিন তিনি চারশ টাকা থেকে ছয়শ টাকা পর্যন্ত আয় হয়ে থাকে তাহার৷

লেখক