বরগুনার বেতাগীতে জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের মধ্যেও নদীর দুই পাড়ে কিছু মানুষ অবস্থান নিয়ে টর্চলাইটের মাধ্যমে সংকেত দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযানকারী দল কখন নদী থেকে ফিরে যায় এবং কোন দিকে যায়, সে তথ্যও স্থানীয় কিছু দোকানদার ও ক্রেতা সরবরাহ করছেন বলে জানা গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাত্র ২১-২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে ইলিশের প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা সম্ভব। ইলিশ ডিম ছাড়ার সুযোগ না পেলে ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন কমে যাবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা, কেনা কিংবা অভিযানে বাধা দেওয়া দেশের মৎস্যসম্পদের জন্য হুমকিস্বরূপ।
এ বিষয়ে বেতাগী প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যেসব জেলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাঁদের মৎস্য কার্ড বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইলিশের উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সবাইকে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।