এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার।
ইতিহাসের কলঙ্কময় অধ্যায় লংগদু পাকুয়াখালী ট্রাজেডি।রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলা ও বাঘাইছড়ি উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাকুয়াখালীতে ১৯৯৬ সালে ৯ই সেপ্টেম্বর ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (তথাকথিত শান্তি বাহিনী) নির্মমভাবে হত্যা করে।
সেই থেকে পার্বত্য এলাকাযর বাঙালিরা পাকুয়াখালি ট্রাজেডি দিবস হিসেবে দিনটিকে পালন করে থাকেন।
নিহত পরিবারের সদস্যরা কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা সহ,
আলোচনা সভা ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে থাকেন।
১৯৯৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শান্তি বাহিনী ওরফে ভিতরের পাটি ৩৬ জন কাঠুরিয়াকে ব্যবসায়ী লেনদেনের কথা বলে পাকুয়াখালী নামক গহীন অরণ্যকে, ডেকে নিয়ে যায়।
সেখান থেকে ইউনুস আলী নামে এক কাঠুরিয়া, কোনরকম তার জান নিয়ে ফিরে এসে গ্রামবাসি কে বিস্তারিত বলেন, এসময় গ্রামবাসী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায়।
পাকুয়াখালী গহীন অরন্যর একটি ২০০ ফুটের খাদ থেকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ২৮ টি লাশ উদ্ধার করেন, বাকি ৭ টি লাশের কোন হদিস মিলেনি বলে জানান এলাকা বাসী।
মৃত্যুর পথ থেকে বেঁচে আসা কাঠুরিয়া ইউনুস আলী বলেন। সন্তুলার মার সন্ত্রাসীরা ৩৬ জন কাঠুরিয়াকে ৫/৬ জন ভাগ করে বেধে ৭টি গ্রুপে, পাপুয়াখালী গহীন অরণ্যয় নিয়ে যাওয়া হয়।
সন্ত্রাসী সবার হাতে ছিল অস্ত্র, ধারালো দা, ও ভারতীয় এক ফুট লম্বা ধারনকৃত ধারালো ছুরি।
সেদিন মূলত বাঙালি হওয়ার অপরাধে, ৩৫ জন কাঠুরিয়াকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করেন।