ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আবু বক্কর সিদ্দিক চেয়ারম্যান নির্বাচিত

শফিকুল ইসলাম সাগর গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক তালগাছ প্রতিকে ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার আতা ঘোড়া প্রতিকে তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৫২৩।

১৭ অক্টোবর/২২ ইং সোমবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ অলিউর রহমান জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে এবং বিজয়ীদের বেসরকারীভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে যারা বিজয়ী হলেন, ১ নং ওয়ার্ডে তৌহিদা বেগম, ২ নং ওয়ার্ডে আরিফা আক্তার, ৩ নং ওয়ার্ডে রুনা আরজু মোনোয়ারা বেগম।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন, ১ নং ওয়ার্ডে এমদাদুল হক, ৩ নং ওয়ার্ডে শহীদুল ইসলাম, ৫ নং ওয়ার্ডে জাহাঙ্গীর আলম, ৬ নং ওয়ার্ডে শাখাওয়াত হোসেন, ৭ নং ওয়ার্ডে শুক্কুর আলী ফিরোজ। ৪ নং ওয়ার্ডে দুই জন প্রার্থী ৫৬/৫৬ করে ভোট পেয়ে ড্র করেন। পরে উভয়ের মধ্যে লটারী অনুষ্ঠিত হয়। লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী হন মনিরুজ্জামান ফুল মিয়া। অন্যদিকে ২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী এম এস রহমানের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ২ নং ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী, ৩টি সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা পদে ৯ জন প্রার্থী ও ৭টি সাধারণ সদস্য পদে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক (তালগাছ), জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার আতা (ঘোড়া) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ শরিফুল ইসলাম (হেলিকপ্টার)। ৭ উপজেলায় ৭টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ১২৪ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করেন। এরমধ্যে মহিলা ভোটার ২৬৭ ও পুরুষ ৮৫৭ জন। এ সকল কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ৭ জন, সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ১৪ জন এবং পোলিং অফিসার ২৮ জন তাদের দায়িত্ব পালন করেন। সকাল ৯ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

লেখক