ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে  মিথ্যা মামলার অভিযোগ

মোঃ সোহেল রানা ( বরগুনা )ঃ

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার ১নং মাধব খালি ইউনিয়নের চৈতা বাজারে ১৯৬২ সালে চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা বানোয়াট মামলা দায়ের করেন দাতা সদস্য প্রার্থী আব্দুস সালাম মৃধা।
স্কুলটি  প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে চলছে আসছে।  বিদ্যালয়টি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে চলার জন্য বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় পরিচালনা এডহক কমিটি। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ ছিল ০৯/০২/২০২৩ ইং । দাতা সদস্য প্রার্থী আবদুস সালাম মৃধা গত ০৭/০২/২০২৩ইং মির্জাগঞ্জ মেজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। দেওয়ানী মোকাদ্দমা নং-১৯/২০২৩।  মামলার বাদী  আব্দুস সালাম মৃধা চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ তিন জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে  মামলার আসামিদের কাছে বিশ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করেন ।
সাংবাদিক চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে সাক্ষাৎকার করে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জানান, দাতা সদস্য প্রার্থী আব্দুস সালাম মৃধা যে মামলাটি দায়ের করেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন ও তিনি আরো বলেন যে কয়টি বিষয়ের উপর মামলা টি দায়ের করা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। আবদুস সালাম মৃধা ঐতিহ্যবাহী চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য এবং তার নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্যই এই মামলা টি দায়ের করেন। বিগত দিনে ও আব্দুস সালাম মৃধা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। তখন ও তিনি বিভিন্ন ভাবে রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিলেন। তার এইরূপ প্রভাবের কারণে বিদ্যালয়ের অনেক ক্ষতি সাধন হয়। তার ভয়ে বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক এখন পর্যন্ত কোন কথা বলতে সাহস করেনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, যে আদালত বিশ কার্য দিবসের মধ্যে জবাব চেয়েছেন আমরাও আইনের মাধ্যমে মহামান্য আদালতে পেশ করা হবে। তিনি আশাবাদী যে অবিলম্বে অত্র বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন করা যাবে।
তিনি বলেন যে কিছু কুচক্রী মহল বিদ্যালয়টি কে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ।
চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন যে বিদ্যালয়টিকে এই কুচক্রী মহলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং এই কুচক্রী মহলের হাত থেকে বিদ্যালয়ের সুনাম ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
দাতা সদস্য প্রার্থী আব্দুস সালাম মৃধা এর সাথে সাংবাদিক মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।
এলাকার সুশীল সমাজের বক্তব্য , চৈতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হচ্ছে এলাকা তথা মির্জাগঞ্জ উপজেলার  অন্যতম শিক্ষা পাঠের স্থান। যে বিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরি কাজে নিয়োজিত আছে।  তাই যাতে কিছু দুষ্ট লোকের জন্য এই বিদ্যালয়ের কোন ক্ষতি না হয় এলাকাবাসীর দাবি ।

লেখক