ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

প্রার্থীতা ফিরে পেলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের চারবারের চেয়ারম্যান

 রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ী-১ আসনের (রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা) সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক বিশ্বাস প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। সোমবার নির্বাচন কমিশনে আপীল শুনানীর পর তিনি প্রার্থীতা ফিরে পান।
রাজবাড়ীতে ৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হয়। রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু কায়সার খান মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সূবর্ণা রানী সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সোহাগ মিয়া, কয়েকজন প্রার্থী ও প্রার্থীদের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
যাচাই-বাছাই শেষে রাজবাড়ী-১ আসনে ইমদাদুল হক বিশ্বাসসহ সকল স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ঘোষনার পর ইমদাদুল হক বিশ্বাস আপীল করেন।
বাতিল হওয়া সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অন্যরা মো. আ. মান্নান মুসুল্লী, স্বপন কুমার সরকার ও আশিশ আকবর সুবির। এদের মধ্যে ইমদাদুল হক বিশ্বাস সম্প্রতি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি মোট চারবার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। মান্নান মুসুল্লী মূলঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। অপর দুইজন স্বপন কুমার সরকার ও আশিশ আকবর সুবির পেশায় আইনজীবী। আশিশের বাবা জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। আশিশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ছিলেন। তার (আশিশ) বাবা জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক আকবর আলী মর্জি।
ইমদাদুল হক বিশ্বাস বলেন, আমি চারবারের গেজেটেড জনপ্রতিনিধি। আমার চার হাজার ২০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। আমি চার হাজার ৩১২ জনের স্বাক্ষর জমা দিয়েছি। আমি কমিশনে আপীল করে ছিলাম। কমিশন আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। আমি আমার প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ছিলাম। আমি আমার প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি।

লেখক