ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রবাসী নিহতস্বপ্নপার্বতীপুর পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মিজানুর রহমান সিয়াম: শ্রমিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে ঘোষণা শাজাহানপুরে ভিজিএফ চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদে হামলার অভিযোগমাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন

রাজবাড়ীতে ঢাকার মাইলস্টোন ট্রাজেডিতে নিহতদের স্মরণে স্মরণসভা, শোকর‌্যালি ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

মো. নাহিদুল ইসলাম ফাহিম, রাজবাড়ী :

রাজবাড়ীতে ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে সভা, শোকর‌্যালি ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা সংসদের উদ্যোগে জেলা শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক চত্ত্বরে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

শুরুতেই বিকেলে সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের আজাদী ময়দান সংলগ্ন জেলা উদীচীর নিজস্ব কার্যালয়ে একত্রিত হতে থাকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে সেখান থেকে একটি শোক র‌্যালি বের করা হয়। শোকর‌্যালিটি রেলগেট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলক চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা উদীচীর সভাপতি প্রফেসর শংকর চন্দ্র সিনহার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় বক্তব্য দেন জেলা সিপিবির সভাপতি কমরেড আব্দুস সামাদ মিয়া। এসময় সহকারী অধ্যাপক অপূর্ব কুমার দাস, জেলা উদীচীর সহ-সভাপতি ফকীর শাহাদত হোসেন, আজিজুল হাসান খোকা, সাংগঠনিক সম্পাদক ধীরেন্দ্রনাথ দাস, কোষাধ্যক্ষ রাদগেশ্বাম চক্রবর্তী, দপ্তর সম্পাদক সুমা কর্মকার পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হালিম বাবুসহ সংগঠনটির অন্যান্য সম্পাদক-সদস্যারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বক্তারা বলেন, মাইলস্টোন ট্যাজেডিতে নিহত হয়েছে শিক্ষার্থী। মমতাময়ী শিক্ষক ও প্রশিক্ষণ বিমানের পাইলট। এই দুর্ঘটনায় পুরো দেশ শোকে কাতর। নির্বাক। আমরা চাই এধরণের ট্রাজেডি আর কখনো যেন না হয়। কোন মায়ের কোল খালি না হয়। কোন বাবাকে সন্তানের লাশ কাঁধে নিতে না হয়। সবাই যেন নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে। আমরা চাই, স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা। শুধুমাত্র বিমান নয়, যে কোন যানবাহন পরিচালনার ক্ষেত্রে তার ফিটনেস যাচাই করতে হবে। মেয়াদবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে। দুর্ঘটনা হলেই তা নিয়ে হৈচৈ হয়। তদন্ত কমিটি হয়। কিন্তু আগে থেকে সচেতন হলে এসব দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। এজন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে সচেতন হতে হবে। এই দর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

স্মরণসভা শেষে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয় এবং প্রজ্জ্বলন শেষে তাদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

লেখক