ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

পরিবারতান্ত্রিক সরকার চাই না, চাই জনগণের সরকার: জামায়াতের আমির

মোঃ লিটন, নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘একটা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে আগামী ১২ তারিখ আমাদের মুক্তির হাতছানি দিচ্ছে। ৫৪ বছরে যাঁরা রাজনীতি করেছেন, অনেকেই চেষ্টা করেছেন। আমরা কারও আন্তরিকতার ওপর কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই না। তাঁরা তাঁদের যোগ্যতা ও আন্তরিকতা দিয়ে যেটুকু পেরেছেন, বাংলাদেশ এবং তার জনগণকে দিয়েছেন। কী দিয়েছেন, কী দিতে পারেননি—তার সবকিছুর সাক্ষী এ দেশের ১৮ কোটি মানুষ।’

শুক্রবার বিঙঁলকাল ৩ টায় নড়াইল বয়েজ স্কুল মাঠে, নড়াইল-২ আসনে জামায়াত ও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আতাউর রহমান (বাচ্চু) সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি আতাউর রহমান বাচ্চুর হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে সবার কাছে ভোট চান।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আর চাই না, দেশের মাটিতে শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ার কারণে দমন-পীড়নের শিকার হয়ে তাকে খুন করা হোক, গুম করা হোক, আয়নাঘরে পাঠানো হোক, মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে নাজেহাল করা হোক। এই বাংলাদেশ আমরা আর চাই না।’

জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমি কোনো দলের সরকার চাই না, কোনো পরিবারতান্ত্রিক সরকার চাই না, কোনো গোষ্ঠীতান্ত্রিক সরকার আমি চাই না, আমি চাই জনগণের সরকার। আমি চাই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। আর ধর্মে-বর্ণে-জাতিতে বিভক্ত করার সুযোগ আমরা কাউকে দেব না, ইনশা আল্লাহ। এই বাংলাদেশকে সব ধর্মের, বর্ণের মানুষকে ফুলের বাগানের মতো আমরা সাজাব। জামায়াতের আমির আরও বলেন, ‘শিশু জন্ম নেওয়ার পর শুধু গরিবের ঘরে জন্ম নিয়েছে এ কারণে তার শিক্ষার কোনো ব্যবস্থা হবে না, সেই বাংলাদেশ চাই না। আমরা বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটা বাংলাদেশ চাই। ওই বাংলাদেশটা চাই, যে বাংলাদেশে আমার মায়ের সম্পদ, ইজ্জত এবং জীবনের ওপর আর কেউ কোনো হামলা করার দুঃসাহস দেখাবে না।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘ওই বাংলাদেশটা চাই না, যেখানে বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাইবোনদের ওপর নির্যাতন করা হয়। আমরা ওই বাংলাদেশটাও চাই না, যেখানে হাজার হাজার লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবকের মিছিল হয়। ওই বাংলাদেশ আমরা চাই না, যে বাংলাদেশে বিচার অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হয়। ওই বাংলাদেশ আমরা চাই না, যার পকেটের জোর নেই, যার বাহুতে বল নেই, যার গোষ্ঠীর জোর নেই অথবা দলীয় শক্তি নেই, তার কোনো বিচার নেই। ওই বাংলাদেশ চাই না

লেখক