ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

মিরসরাইয়ে এক সিআইপির জমির ঘেরা ভেঙে সংবাদ সম্মেলন করেন মেয়র

নুর হোসেন- চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আরব আমিরাত প্রবাসী সিআইপি ফখরুল ইসলাম খানের ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রায় ৪ একর জমির অস্থায়ী ঘেরা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়ার একদিন পর সংবাদ সম্মেলন করেন বারৈয়ারহাট পৌরসভার মেয়র।
২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে বারৈয়ারহাট পৌরসভা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম খোকন। এসময় তিনি বলেন, জনৈক ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিন ফসলী জমিতে স্থাপনা করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমির পাশে ঘেরা দিয়ে রেখেছেন। সম্প্রতি সে জমির একপাশে খাল খনন করে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করেছেন। তাকে একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তার লোকজন ঈদের বন্ধের সুযোগে সেখানে স্থাপনা করার পাঁয়তারা করায় স্থানীয় সরকার পৌরসভা আইন ২০০৯ এর দ্বিতীয় তফসিলের ৩৫ ক্রমিক মতে পৌর সভার অনুমোদন না নেয়ায় সরকারী আইন ২০০৯ এর দ্বিতীয় তফসিলের ৩৬ (৩) ক্রমিকের আলোকে জনস্বার্থে উক্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সমর কান্তি চাকমা ও প্রকৌশলী সমর মজুমদার।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার ২৪ এপ্রিল দুপুরে বারইয়ারহাট পৌরসভাধীন জামালপুর গ্রামে অবস্থিত সিআইপি ফখরুল ইসলাম খানের বাড়ী সংলগ্ন কৃষি জমি রক্ষনাবেক্ষনের জন্য দেওয়া অস্থায়ী ঘেরাগুলো ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপির ব্যবস্থাপক দীন মোহাম্মদ জানান, আমরা কোন স্থায়ী দেয়াল নির্মাণ করি নাই জমিতে চাষাবাদ চলছে। জমির ফসল রক্ষায় চারপাশে আমরা ঘেরা দিয়েছিলাম। এ ঘটনায় আমাদের কোম্পানির প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পৌর মেয়র কোন প্রকার নোটিশ ছাড়া আকষ্মিকভাবে এই অস্থায়ী ঘেরাগুলো ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে তার কোম্পানির পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, তিন ফসলী জমিতে কোন প্রকার স্থাপনা করা যাবে না। মেয়র কি কারণে স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়েছেন তা তিনিই ভালো বলতে পারেন।

লেখক