বিপুল রায়- কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালীগঞ্জ ইউনিয়নের সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় মাদার স্কুল বলা হয়। সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করবী রানী চৌধুরী দীর্ঘ চাকুরী জিবনের ইতি টানলেন অবসরে গিয়ে, আজ ছিল তার চাকুরীর শেষ কার্যদিবস। দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মজীবন মহান শিক্ষকতা পেশা থেকে বিদায় নিলেন মমতাময়ী সবার প্রিয় প্রধান শিক্ষক শ্রীমতী কবরী রানী চৌধুরী।

এই দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন ১৯৮৫ সালে সদ্য এসএসসি পাশ করে প্রথম চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নাগেশ্বরী উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করে চলেছেন অবিরতভাবে৷ এই দীর্ঘজীবনে পেয়েছেন এলাকাবাসী ও সহকর্মীদের অফুরন্ত ভালোবাসা৷ ফলে এক কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই চাকরি করলেন ৩৫ বছর ধরে৷

এক শিক্ষার্থী অশ্রুজনিত কন্ঠে বলেন তার সম্পর্কে কিছু বললে হয়তো কম হবে তিনি শুধু একজন শিক্ষিকা ছিলেন না তিনি ছিলেন আমাদের একজন অভিভাবক, মায়ের মতো আদর সেন্হ ভালোবাসা দিয়েছেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তানের মতো নজরে রাখতেন তার মতো আদর্শ মমতাময়ী ম্যাডাম আমরা হয়তো ১০০ বছরেও পাবোনা ম্যাডামকে দেখেই শিক্ষকতা পেশার প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসার সৃষ্টি হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফজালুল হক খোকা, সাবেক সভাপতি ও হুজুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক আজিজার রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী শিক্ষক সৈফুর রহমান, সদ্য অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক করবী রানী চৌধুরী, অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন, শিক্ষক ইউনুস আলী,কালীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেওয়া গোলাম মোস্তফা, আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আইজুল হক, সুশান্ত, ইউসুফ, ইউপি সদস্য হবিবর রহমান সহ শতশত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকমহল উপস্থিত ছিলেন। এসময় শিক্ষার্থীরা ফুল দিয়ে তাদের প্রিয় দুই প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও করবী রানী চৌধুরী কে অবসরজনিত বিদায় জানান

আপনি যে খবরগুলো মিস করেছেন