তাহমীদ ইশাদ রিপন, বড়লেখা প্রতিনিধিঃ
সব সম্পর্কের সেরা সম্পর্ক হলো বন্ধুত্ব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়ে যায় অনেক সম্পর্কই। প্রেম একসময় হারিয়ে যায়, কিন্তু বন্ধু কখনোই হারায় না। ভার্চুয়াল জগতের অসংখ্য মানুষের ভিড়ে মানুষ যেন বন্ধুত্বেই খুজে নেয় শীতের সকালের এক ফালি রোদ।
জীবনের কিছু ক্ষেত্রে আর কাউকে না পেলেও বন্ধুদের ঠিকই পাওয়া যায়। নতুন কিছুর শুরুতে স্বাভাবিকতই বাধার সম্মুখীন হলেও বন্ধুরা আপনাকে হতাশ করবে না। বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় বন্ধুরাই। আর এই বন্ধুত্ব যখন অটুট থাকে তখন দুরত্ব কিংবা সময় কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। ‘‘বন্ধুত্বের মাধ্যমে আপনি যেকোন সমস্যার সমাধান করতে পারেন৷ সুতরাং আমরা সর্বদা তাই-ই করি৷’’ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন
এস.এসসি ১৯৯৭/৯৮ ব্যাচের তৎকালীন শিক্ষার্থী বন্ধুরা।
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এস.এসসি ১৯৯৭/৯৮ ব্যাচের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য মানবিক ফান্ড থেকে একই ব্যাচের সহপাঠী রামকৃষ্ণকে নগদ শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন ১৯৯৭/৯৮ এস.এসসি ব্যাচের কয়েকজন বন্ধু।
আজ ১১ ফেব্রুয়ারি পৌর শহরের আলভিন রেস্টুরেন্টে এন্ড পার্টি সেন্টারে হাজারো ব্যস্ততার ফাকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ ঘটিকায় বন্ধুত্বের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে সাত জন জড়ো হয়ে পুরনো স্মৃতিগুলো মনে করে খোশগল্পে মশগুল হয়ে তাদের কিছু সময় অতিবাহিত হয়। কিন্তু তাদের সাথে উপস্থিত সহপাঠী রামকৃষ্ণের কথা তাঁরা কখনোও ভূলে যায়নি। দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ সহপাঠী রামকৃষ্ণের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সেরা উপহারটুকু তখন তুলে দেয়া হয়।
উপহার প্রদাকালে এস.এসসি ১৯৯৭/৯৮ ব্যাচের বন্ধুদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবির হোসেন, হারুনুর রশীদ বাদশা, জাকির হোসেন, রুহুল আমিন, জাহিদ হাসান জাবেদ ও দেলোয়ার হোসেন লিপু প্রমুখ।
এসময় দেশ-বিদেশ থেকে যে সকল বন্ধু আর্থিক সহযোগিতা, পরামর্শ দিয়েছেন সকলের প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সহপাঠী রামকৃষ্ণের সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়ার আবেদন জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, এস.এসসি ১৯৯৭/৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উন্নত জীবন গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পেশায় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তরুণরা বন্ধুর প্রতি বন্ধুত্বের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছেন তাছাড়া স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহযোগিতাসহ আর্ত মানবতার সেবায় তাঁরা নিয়োজিত রয়েছে।