মোঃআল-আমীন হোসেন (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রি-পেইড মিটার রিচার্জে ১৮০ ডিজিটের সংখ্যায় ভোগান্তি সুফি সিদ্দিকী । পেশায় একজন বাস কাউন্টার ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে নিজ গ্রামের বাড়ি ও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার করছেন। তাছাড়া ব্যবসায়ী হিসেবে তার কাছে প্রি-পেইড মিটার রয়েছে তার বাস কাউন্টারে। কয়েকদিন আগে প্রি-পেইড মিটারের টাকা শেষ হয় তার। পরে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ থেকে প্রি-পেইড মিটারের জন্য ৭০০ টাকা রিচার্জ করেন। তখন দেখতে পান নতুন করে ১৮০ ডিজিট সংখ্যার লম্বা এক টোকেন সিরিয়াল নাম্বার এসেছে তার মুঠোফোনে ।
এরপর তার বাস কাউন্টার প্রি-পেইড মিটারে ১৮০ ডিজিটের টোকেন নাম্বার মিটারের বাটন চাপতে থাকেন। কিন্তু হঠাৎ করে একটি সংখ্যা ভুল হয়। তখনি শুরু হয় ভোগান্তি। পর পর ২-৩ বার চেষ্টা করার পর অন্য মানুষ ডেকে সঠিক ডিজিট তুলে মিটারে টাকা রিচার্জে সক্ষম হন অবশেষে। এতে তার কমপক্ষে ২৫-৩০ মিনিট সময় লেগেছে। আগে যেখানে মাত্র ২০ ডিজিটের সংখ্যা ওঠাতে সময় লাগত ১ মিনিট। ১০ গুণ ভোগান্তি শিকার হতে হয়েছে তাকে।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পৌরসভা শহরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী প্রি-পেইড মিটার গ্রাহক সুফি সিদ্দিকী ক্ষেত্রে এই ভোগান্তির ঘটনাটি ঘটেছে।।
সুফি সিদ্দিকী মতো ভোগান্তির শিকার একই শহর প্রি-পেইড গ্রাহক অনেকেই বলেন, প্রি-পেইড মিটার লাগানোর শুরু থেকেই ঝামেলাপূর্ণ ও বিরক্তিকর। ২০ ডিজিটের পরিবর্তে নতুন করে ১৮০ ডিজিটের টোকেন নাম্বার উঠাতে গিয়ে কয়েকবার ভোগান্তিতে পড়েছি। টোকেন নাম্বার উঠানো শেষে মিটারে টাকা দেখালেও ঘরে বিদ্যুৎ যায়নি। পরে কয়েকজনের কাছে বিষয়টি বললে তারা জানায় মিটারে লক পড়েছে। এনিয়ে লক ছাড়াতে গেলেও অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়
ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। এরমধ্যে ১৮ হাজার গ্রাহক প্রি-পেইড মিটার ব্যবহার করছেন। প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারকারি গ্রাহকরাই এ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে ঘাটাইল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী এসএম রাসেল জানান, বিদ্যুৎ টেরিপ পরিবর্তনে কারণে অতিরিক্ত কোট জেনারেট হচ্ছে