ব্রেকিং নিউজ পল্লী বিদ্যুতের বিলে পুরোনো বকেয়ার ছড়াছড়ি; সফটওয়্যার ত্রুটির অভিযোগে বিপাকে হাজারো গ্রাহকবিশ্ব বাবা দিবসে বাবার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সাংবাদিক শ্রাবণ মাহমুদের আবেগঘন নিবেদনে কবিতা ‘বাবা’ আড়াই বছরের শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যা; অভিযুক্ত কিশোরীর থানায় আত্মসমর্পণরাঙ্গামাটি কর্ণফুলী নদী থেকে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধারকাঁচা বাঁশ দিয়ে জাম পারতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু

পার্বতীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজ ছাত্র আহত

মেনহাজুল ইসলাম তারেক, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:

পার্বতীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল দক্ষিণ হরিরামপুর কালি বাবুর পাড়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলা ও মারপিটে সুমন দাস (২৫) নামের এক কলেজ ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও প্রতিপক্ষদের হুমকি’র মুখে আহত ছাত্র থানায় মামলা করতে পারেনি।
সুমন দাস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিপক্ষ ফজলুর রহমান, তার ছেলে ফারুকসহ সঙ্গীয় লোকজন গত শুক্রবার সকালে সুমন দাসের পৈত্রিক সম্পত্তি ৯৫৩/১৬১৫ নং দাগের ৯৮ শতক জমি জবর দখল ও জমিতে থাকা আলুর ফসল নষ্ট করতে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকদের লোহার রড ও লাঠির আঘাতে সুমন দাসের বাম হাতের কয়েকটি আঙ্গুল ফেঁটে রক্তাক্ত জখম হয়। তাকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক পেটানো হয় এবং আলু ফসলের ক্ষতি করতে ছেটানো হয় বিষাক্ত কেমিকেল। প্রতিপক্ষরা সুমন দাস ও তার পরিবারের লোকদেরকে থানায় মামলা না করতেও হুমকি প্রদান করে বলে সুমন দাস অভিযোগ করেন। সুমন দাস পার্বতীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ৩দিন চিকিৎসার পর বর্তমান বাড়িতে অবস্থান করছে। সে ও তার পিতা থানায় মামলা দায়ের করতে সাহস পাচ্ছেনা।
সরেজমিনে গেলে সুমন দাসের পিতা ফুল চাঁন বলেন, তিনি পাকিস্তান আমল থেকেই তার শ্বাশুড়ী’র নামীয় দলিল সূত্রে জমিটি ভোগ দখল করে আসছেন। বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর থেকে তার শ্বাশুড়ী ফুলমতি বেওয়ার নামে রেকর্ডও সম্পন্ন হয়। প্রতিপক্ষ ফজলুর রহমান এ ব্যাপারে জরিপ অধিদপ্তর বা কোন আদালতে আপত্তি কিংবা মামলা দাখিল করেননি। তিনি ভিত্তিহীন অজুহাতে একমাত্র পেশি শক্তিকে ব্যবহার করেই সম্পত্তির একটি বড় অংশ জবর দখল করে নিতে চান। দক্ষিন হরিরামপুর কাটাবাড়ি গ্রামের আব্দুল মাজেদ, মানিক, জুয়েল সংঘর্ষের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছেন বলে তারা জানান।
এ বিষয়ে ফজলুর রহমানের মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, চাকুরীর প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থান করার কারনে তিনি জরিপ অধিদপ্তরে যোগাযোগ করতে পারেননি। এ কারনেই ফুলমতি বেওয়ার নামে সম্পত্তিটি রেকর্ড হয়। ভূমি রেকর্ডের সময় ফজলুর রহমানের পিতা উপস্থিত থাকলেও তিনি কেন আইনি ব্যবস্থা নেননি, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

লেখক