ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

রাজবাড়ীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত সৈনিক শামীম রেজার দাফন সম্পন্ন

নাহিদুল ইসলাম ফাহিম, রাজবাড়ী ঃ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাযা ও দাফন সম্পন্ন হলো সুদানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশী সৈনিক শামীম রেজা’র।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩ টার দিকে  রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের   হোগলাডাঙ্গী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সকল রাষ্ট্রীয়, সামরিক ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, রোববার সকালে ঢাকার সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে দুপুরে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে রাজবাড়ীতে আনা হয় নিহত সেনাসদস্য শামীম রেজাকে। জেলার কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের কালুখালী মিনি স্টেডিয়াম নামে অভিহিত একটি মাঠে দুপুর ২ টার দিকে মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টারটি এসে পৌঁছায়।

পরে সেখান থেকে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সযোগে মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গী গ্রামে নিহত সেনাসদস্য শামীম রেজাকে তার বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সেখানে পরিবার-আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীকে মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের হোগলাডাঙ্গী গ্রামের কলকলিয়া বাজারের পাশেই তার বাড়ি। শামীমের মরদেহ দেখার জন্য শতশত নারী-পুরুষ মানুষ ভীর জমিয়েছেন। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনেরা আহাজারি করছেন। জানাজায় উপজেলার প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন।

নিহিতের পরিবার সূত্র জানায়, শামীম রেজা তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে শামীম সবার বড়। ২০১৮ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ৭ নভেম্বর তিনি  সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ গ্রহণের জন্য সুদানে যান। সেখানে একটি সন্ত্রাসী হামলায় আরও ৫ সেনার পাশাপাশি নিহত হন রাজবাড়ীর সন্ত্রান সৈনিক শামীম রেজা।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্বপালনকালে গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই শহরে একটি ড্রোন হামলায় ৬ জন বাংলাদেশ সেনাসদস্য নিহত হন। এ ঘটনায় আরও ৮ জন আহত হন। এরপর সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে দেশে আনা হয়।

লেখক