ব্রেকিং নিউজ কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটকনাগেশ্বরী সচেতন গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনের দাবিতেবাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না-এমপি ফজলুল হক মিলনসিরাজগঞ্জে জামায়াত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিচাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর মামলা, গ্রেপ্তার ৩

শিবগঞ্জ থানার ওসি মঞ্জুরুল আলমের প্রচেষ্টায় সংসারে ফিরলো গৃহবধু

মোহাম্মদ আলী উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

বগুড়ার শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জের একান্ত প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলোহের অবসান,বিবাহ বিচ্ছেদের পরির্বতে ঘর বাঁধা শুরু করলেন গৃহবধু।জানা যায়, উপজেলার আটমূূল ইউনিয়নের বারামদেউল গ্রামের কৃষক আনিসুর রহমান এর মেয়ে নুসরাত এর সাথে একই ইউনিয়নের আটমূল ইউনিয়নের ছোটবেলঘড়িয়া গ্রামের আব্দুল কাফি এর ছেলে সিহাব উদ্দিন এর বিয়ে হয়ে। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটছিলো। তাদের ঘরে এক ফুটফুটে ছেলে সন্তান জন্ম নেয়।পারিবারিক সমস্যাজনীত কারণে বিপত্তি বাধে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে। পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে গত দেড় বছর যাবৎ এ কলোহ চলে আসছিলো। এর ফলে, বিবাহ বিচ্ছেদ এর সিদ্ধান্ত নেয় ওই দম্পত্তি।

গত শুক্রবারে শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল আলম বিষয়টি জানতে পারেন। পরবর্তিতে তিনি উভয় পরিবারের সদস্যদেরকে গত ২৮ জানুয়ারি থানায় ডেকে নেন। এসময় উভয় পরিবারের সদস্য এবং ওই দম্পত্তির সাথে কথা বলেন তিনি। তাদের কথা মত এই ভেঙ্গে যাওয়া সংসার পুনরায় জোড়া লাগাতে রবিবার দুপুরে শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মন্জুরুল আলম মেয়ের পিতার বাড়িতে যান। সেখানে জামাই সিহাব এর হাতে মেয়েকে তুলে দেন তিনি।এ ঘটনায় মেয়ের বাবা আনিসুর রহমান বলেন, আল্লাহ যেন স্যাররে ভালো রাখেন। স্যারের কারণে আমার মেয়ে তার স্বামী ও সন্তানসহ সংসার ফিরে পেলেন।
এ বিষয়ে সিহাব এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা যে ভুল করেছি তাতে আমরা লজ্জিত। ভবিষ্যতে আমরা আর কোনদিন ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হবো না। আমাদের সন্তান রয়েছে। তার ভবিষ্যতের জন্য আমরা পুনরায় স্বামী স্ত্রী হিসাবে বসবাস করবো।শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মনজুরুল আলম বলেন,সাংসারিক জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতেই পারে হতেই পারে কিন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই দম্পতিদের পুনরায় স্বামী স্ত্রী হিসাবে বসবাস করার মত সুযোগ করে দিলাম। ভবিষ্যতে তারা আর ঝগড়া বিবাদ করবে না বলে জানিয়েছে।ওসি মঞ্জুরুল আলমের এই মানবিক কাজ সত্যই প্রশংসনীয়।

লেখক