ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

রাজবাড়ীতে সরকার ঘোষিত মজুরির গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ

রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ীতে হোটেল রেস্তোরা সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরির গেজেট বাস্তবায়ন, নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, আট ঘণ্টা কর্মদিবস কার্যকরসহ সম্পাদিত সকল চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মবিরতির পালনের লক্ষ্যে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার উদ্যোগে পৌর মিলেনিয়াম মার্কেটের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার আহবায়ক আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রণ্ট রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি রবিউল আলম মিনু, জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, মজুরি বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির সদস্য আবুল কালাম, শামু শেখ, গণেশ বিশ্বাস প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও হোটেল শ্রমিকরা এখন পর্যন্ত নির্যাতিত ও বঞ্চিত। আজ পর্যন্ত হোটেল শ্রমিকদের জন্য কোন নির্ধারিত মজুরি বাস্তবায়ন নেই। কোন কর্মঘণ্টা নেই। একজন শ্রমিককে দিনরাত হিসেব ছাড়া কাজ করতে হয়। কাজ করতে কোন নিয়োগপত্র প্রদান করা হয় না। মালিকের ইচ্ছা অনুযায়ি শ্রমিক ছাটাই করা হয়। বর্তমান বাজারে সকল জিনিসের দাম উর্ধ্বগতি। শ্রমিকরা যে টাকা বেতন পায় তাতে তাদের সংসার চলে না। বর্তমান সরকার একটি নিম্নতম মজুরির গেজেট প্রকাশ করেছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আগামি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যদি এই গেজেট বাস্তবায়ন না হয় তাহলে আগামি ১৪ জানুয়ারি দেশব্যপী হোটেল শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করবে।
সমাবেশের আগে পৌর মিলেনিয়াম মার্কেটের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

লেখক