ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে কমরেড মোখলেছুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভাকালাইয়ে সিঁদুর দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৫; লুটপাটের অভিযোগমাদক বিরোধী অভিযানে মাদক কারবারি আটক করে থানায় আসার সময় এস আই সহ নিহত ২ আহত ২জরুরি বিভাগে না থাকায় চিকিৎসক, অপেক্ষায় নিথর দেড় মাসের মুয়াজকালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

রাজবাড়ীতে কমরেড মোখলেছুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা

রাজবাড়ীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা, কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল কমিশনের সাবেক সদস্য, চারণ কমিউনিস্ট, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, আজীবন বিপ্লবী কমরেড মোখলেছুর রহমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি রাজবাড়ী জেলা কমিটির উদ্যোগে উদীচী মিলনায়তনে শুক্রবার সকালে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড আবদুস সামাদ মিয়া। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোখলেসুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিনী প্রাক্তন অধ্যক্ষ সেতারা বেগম।

স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ধীরেন্দ্রনাথ দাস।
সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজবাড়ী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড অরুণ কুমার সরকার, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদক কমরেড সুশান্ত রায়, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফকীর শাহাদত হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্তিক দল রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার দাস, সিপিবি জেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম মোহাম্মদ মোস্তফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী বাবন চক্রবর্তী, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মন্ডল, সিপিবি পাংশা উপজেলা সম্পাদক কমরেড তোফাজ্জেল হোসেন, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা শাখার সহসভাপতি আজিজুল হাসান খোকা, গোয়ালন্দ উপজেলা সিপিবি নেতা শেখ রাজিব। সভা পরিচালনা করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদ।

আলোচনা সভার শুরুত্বে প্রয়াত কমরেড মোখলেছুর রহমানের অস্থায়ী প্রতিকৃতি পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়। এরপর পর এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তারা কমরেড মোখলেছুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি ছিলেন একজন আজীবন বিপ্লবী। বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী। তিনি বিভিন্ন স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাঁর হাতে গড়া একাধিক প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করা হয়েছে। তবে তিনি কখনো সরকারি চাকুরি করেননি। অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর গ্রহণের পর প্রত্যন্ত এলাকায় তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাঠাগার গড়ে তুলেছেন। নিজের আয় করা সমস্ত টাকাপয়সা তিনি শিক্ষা বিস্তারের কাজে ব্যয় করেছেন। সংগঠন গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে বৃহত্তর ফরিদপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত অতিবাহিত করেছেন।

বর্তমানে দেশ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশে মব কালচার করা হচ্ছে। দেশ বিরোধী বিভিন্ন চুক্তি করা হচ্ছে। তাঁর আদর্শ ধারণ করে গ্রামে গঞ্জে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। বামপন্থীদের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। ঐক্যবদ্ধ ভাবে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

লেখক