গত ২ দিনের অবিরাম ঝড়-বৃষ্টিতে পার্বতীপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলসমূহ ব্যাপকভাবে পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বিশেষ করে গতকাল শুক্রবার দিনগত রাতে অবিরাম বৃষ্টিপাত হয়। সেই সাথে ঝড়ো হাওয়াও ছিলো গোটা এলাকায়। এর ফলে গাছ পালার খুব একটা ক্ষতি না হলেও নীচু কৃষি জমিতে কাটার অপেক্ষায় থাকা পাঁকা ইরি-বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে নুয়ে পড়ায় ধান কাটতে গিয়ে কৃষকেরা চরম দূর্দশার মধ্যে পড়েছে। ধান কাটতে পারলেও শ্রমিক খরচ অনেক বেশী গুনতে হচ্ছে কৃষকদেরকে। ধানের ক্ষতিও হয়েছে ব্যাপক। সবচেয়ে ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হয়েছে পার্বতীপুর শহরের নিকটবর্তী চন্ডিপুর ইউনিয়নের জাহানাবাদ মামুন পাড়া, কালেখা পাড়া, কালিকাবাড়ী এলাকা। আজ শনিবার দুপুরে মামুনপাড়া ও কালেখাপাড়া গ্রামে সরেজমিনে গেলে কৃষকদের ক্ষয়-ক্ষতির দৃশ্য চোখে পড়ে। কৃষক চাঁদ মামুন জানায়, এই এলাকার অসময়ে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি ও ঝড়ে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। পানিতে ডুবে যাওয়া ধান কাঁটতে আমাদের দ্বিগুন শ্রমিক খরচ গুণতে হচ্ছে। আবার শীষ থেকে ঝড়ে পড়া অনেক ধান জমির পানিতে পড়ে যাওয়ায় ফসলের পরিমানও কম হবে। পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিব হুসাইন জানান, উপজেলার মন্মথপুর, চন্ডিপুর ও হামিদপুর ইউনিয়নের ৪০ হেক্টর জমির ধানক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমানের সঠিক হিসেব এখনও হাতে আসেনি। তবে তিনি জানান, পানিতে তলিয়ে যাওয়া পাঁকা ধান কাঁটতে কৃষকদেরকে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তাদের শ্রমিক খরচও অনেক বেড়ে গেছে।
অসময়ের ঝড়-বৃষ্টিতে পার্বতীপুরের ৪০ হেক্টর জমির পাঁকা ধান পানিতে নিমজ্জিত
মেনহাজুল ইসলাম তারেক,
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: