এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রাম নগরের নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারে সদ্য একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি বিভাগের শিক্ষক ড. জিনবোধি ভিক্ষুকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়,বৌদ্ধ মন্দিরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৮ মার্চ)২০২৪ খ্রি:।
সকালে বৌদ্ধ সমিতি মহিলা বাংলাদেশের নারী নেত্রী রেখা রানী বড়ুয়ার নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ৬ সেকেন্ডের এক ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, রেখা রানী বড়ুয়ার নেতৃত্বে অজ্ঞত বেশ কয়েকজন লোক শিক্ষক জিনবোধি ভিক্ষকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের উপস্থিতিতে মারধর করছেন। এ সময় তাকে জুতা দিয়ে আঘাত করতেও দেখা যায়।

তবে এ ঘটনায় শিক্ষক ভিক্ষুর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি’র অভিযোগ তুলেছেন ওই নারী নেত্রী। তার দাবি, ধর্মীয় কাজে অংশ নিতে গেলে বৌদ্ধ মন্দিরের সভাপতি শিক্ষক জিনবোধি ভিক্ষু তার শাড়ি ধরে টান দেন। তিনি যৌন হয়রানির শিকার।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপের সাথে তার বক্তব্যের মিল পাওয়া যায়নি। ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষকের সাথে ওই নারীর তর্ক-বিতর্ক হচ্ছে। একপর্যায়ে ওই নারী ও শিক্ষক দু’জন দুজনের দিকে রুখে যান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। তর্কের সূত্রপাত ধরেই শাড়ি টানার ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে। তাই বিশিষ্ট জনের মতামত, এ ঘটনায় যৌন হয়রানি পরিলক্ষিত হয়নি। পূর্বের বিরোধের কারণেই মূলত এ হামলার সূত্রপাত।
ড. জিনবোধি ভিক্ষু বলেন, ‘অবৈধ, অনির্বাচিত এবং বৌদ্ধমন্দির জালিয়াতকারী ওরা। ওরা নির্বাচনের পরাজিত শক্তি। বৌদ্ধ মন্দিরকে কেন্দ্র তারা দীর্ঘদিন যাবত আমাদের বিরোধিতা করছেন। এ নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে।হাইকোর্ট থেকে জজকোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাদের অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত। আমরা গুরুপূজার আয়োজন করি। এ বৌদ্ধ বিহারের আমি সভাপতি। ওরা কোনো ভক্ত বা গুরুজনদের ঢুকতে দিচ্ছে না। ওই সময়ে ওই নারী আমার মোবাইল কেড়ে নিয়ে নেয়। পুলিশ নিয়ে যখন গিয়েছি তখন মোবাইল ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে।
আমি শাড়ি ধরে টান দিয়েছি- ঠিক তখনই এমন নাটকের সৃষ্টি করেছেন।

যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আমি ৬৪ বছর বয়সী একজন শিক্ষক। উনি আমার বোন, উনার ছেলেমেয়ে মানুষ করেছি আমি।