ব্রেকিং নিউজ রাজবাড়ীতে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা, আটক-১শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলনসরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি নিয়ে দীপেন দেওয়ানের মতবিনিময় সভা জামালপুর সরকারি অবৈধ টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার দায়ে দুজনকে আটক করছে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দপার্বতীপুরে জরাজীর্ণ রেলগেট সড়ক সংস্কার করলেন মিজানুর রহমান সিয়াম

রাজবাড়ীতে অবৈধভাবে জমি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মো. নাহিদুল ইসলাম ফাহিম, রাজবাড়ী :

রাজবাড়ীতে মোছা. জলি খাতুন গং কর্তৃক জোড় পূর্বক অবৈধভাবে জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার। রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া বাজারের পাশে ভুক্তভোগীর বসতবাড়িতে পরিবার বর্গের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীর মেয়ে চম্পা খাতুন। এসময় তিনি বলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের জৌকুড়া মৌজার বেশ কয়েকটি দাগ জমি আছে। যা আমাদের পরিবারের ২ শরীকের মাঝে বন্টন করা হয়। সেসময় আমাদের পরিবারকে একটি দাগের ১৩ শতাংশ জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের পারিবারিক সূত্রে পাওয়া জমি আমরা সকলের উপস্থিতিতে বুঝেই পাই। পাওয়ার পরে সে জমিতে থাকা পুকুর ভরাট করে সেখানে থাকার জন্য ছাপড়া ঘর ও রাস্তার পাশের অংশে কিছু ছাপড়া দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম।

আমাদের শরীকের এক সদস্য (অবৈধ দখলকারী) ব্যাপক প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিত্ব হওয়ায় তারা মাঝেমধ্যেই কিছু সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকের সহযোগিতায় জোর করে দোকানঘর আমার পরিবারকে নালিশী জমি থেকে বেদখল করে নিজের দখল করার জন্য চেষ্টা করে আসছিল।

এরপরে ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে আমার চাচার মেয়ে পুলিশ অফিসার জলি খাতুন গং আমাদের উপরে বর্ণিত সম্পত্তিতে জোর করে দোকান ঘর নির্মাণ করতে শুরু করেছে। আমি ও আমার পরিবারের লোকজন তাদের কাজে বাধা দিতে গেলে তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে।

এছাড়াও চম্পা খাতুন বলেন, গত কয়েকমাস আগে আমার মা অসুস্থ থাকায় তার চিকিৎসার কাজে যখন সবাই ঢাকাতে অবস্থান করছিল, তখন আমার চাচাতো বোন এস আই জলি কিছু লোকজন দিয়ে আমাদের এই জমির মাথার রাস্তা বন্ধ করে একটি ঘর নির্মাণের চেষ্টা করে। আমি খবর পেয়ে সে কাজে বাধা দিতে এলে জলি গং আমাত গায়ে হাত তোলে, আমাকে মারধর করে। আমি জখম অবস্থায় হাসপাতালে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশনে পুলিশ কেস দিয়ে দেয়। সেটা নিয়ে আমি অভিযোগ দিতে থানায় যাই। থানা থেকে অভিযোগ জমা নিলেও কয়েকদিন পরে তারা জানান, তারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না।

এমতাবস্থায় আমি গণমাধ্যমের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই তারা যেনো এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করে, আমাদের প্রাপ্য জমি আমাদের বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

এসময় ভুক্তভোগী রহিমা খাতুন ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লেখক